কোনো কিছু শিখতেই বিদেশে যাওয়া দরকার, বিশেষ করে টয়লেট ব্যবহারও: তুষার

প্রায় সময় দেশে সরকারি উন্নয়নমূলক কর্মকা'ন্ড সঠিক ভাবে পরিচালনার জন্য অনেক কর্মক'র্তা-কর্মচারীদের বিদেশ সফরের তথ্য উঠে আসছে। এই সফরকে ঘিরে অনিয়ম ও দূর্নীতির প্রবনতা উচ্চ মাত্রায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। বেশ কয়েকদিন পুকুর খনন দেখতে কর্মক'র্তা-কর্মচারীদের বিদেশ সফরকে ঘিরে ব্যপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই রেশ যেতে না যেতেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মিড ডে মিল স্বাস্থ্য সম্মত খিচুড়ি দেওয়া ও পরিচালনা বিষয়ে কর্মক'র্তা-কর্মচারীদের বিদেশ সফরের বিষয় সমগ্র দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এবং ব্যপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
খিচুড়ি আমাদের দেশীয় খাবার নয়। ডাল জিনিসটাই বিদেশি। হোম ইকনোমিক্স কলেজে একবার আমি অনেক ভালো ভালো রান্না করা খাবার খেয়েছিলাম বিতর্কের পরে। সেখানেও পোলাও ছিলো, খিচুড়ি ছিলো কিনা মনে নেই। ছিলো একটা কিছু কিন্তু হয়তো আম'রা যেটা খাই সেটা আসল খিচুড়ি না। আমাদের আসল খিচুড়ি রান্না শিখতে হবে। জিডিপি বাড়াতে খিচুড়ি কাজে লাগবে। মূল্যস্ফীতিও কমাবে, তাছাড়া এটা রেমিটেন্সও বাড়াবে। ডাল তুরস্কে অনেক হয়। রাশিয়াতেও। চীনেও।

তাদের সাথে আমাদের বন্ধুত্ব খিচুড়ি রান্নার মধ্য দিয়ে আরও পোক্ত হবে। খিচুড়ি যেনতেন খাবার নয়। এতে রয়েছে শক্তি, পুষ্টি। এর হলুদ রং পজেটিভিটি বাড়ায়। এটাকে ইতিবাচক বা পজেটিভ ভাবে দেখতে হবে। আমি মনে করি যে কোনো কিছু শিখতেই বিদেশে যাওয়া দরকার। বিশেষ করে টয়লেট ব্যবহারও। খিচুড়ি খাবার পরে বাকিটুকুও আমাদের শেখা দরকার। যদিও পরিকল্পনা কমিশন এই কাজে সায় দেয়নি। কিন্তু যারা যেতে চান তারা খুবই ফিউচারিস্টিক। তাদের যেতে দেওয়া হলে মন্দ হবে না। খিচুড়ির ইংরেজি কী'? এটাও তো জানি না। এটাও জানতে পারবো।

প্রসঙ্গত, উন্নয়নের নামে সমগ্র দেশ জুড়ে অনিয়মের কর্মকা'ন্ড ব্যপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বর্তমান সরকার এই সকল অনিয়ম প্রতিরোধের জন্য নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। এবং এরই লক্ষ্যে কাজ করছে ও দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তিদের শক্ত হাতে অনিয়মের বি'রুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন।