বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুর মা'মলায় দুই আ'সামির আ'দালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব'ন্দি

পাঁচ দিনের রি'মান্ড শেষে কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুর মা'মলার দুই আ'সামি মাদ্রাসাছাত্র আবু বক্কর ও নাহিদ আ'দালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব'ন্দি দিয়েছে। মামুনুল হক ও ফায়জুল ইস'লামের বক্তব্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের সিদ্ধান্ত নেয় বলে তারা আ'দালতকে জানিয়েছে।

রোববার কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ'দালতের বিচারক দেলোয়ার হোসেনের আ'দালতে তারা জবানব'ন্দি দেয়। এর আগে রোববার দুপুর ২টার দিকে কঠোর নিরাপত্তায় পু'লিশ তাদের আ'দালতে নেয়। জবানব'ন্দি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

আ'দালত সূত্র জানায়, জবানব'ন্দিতে মা'মলার প্রধান দুই আ'সামি মাদ্রাসাছাত্র আবু বক্কর ও নাহিদ বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য ভাংচুরের কথা স্বীকার করে। তারা মামুনুল হক ও ফায়জুল ইস'লামের বক্তব্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের সিদ্ধান্ত নেয়। ঘটনার ২-৩ দিন আগে ঘটনাস্থলে গিয়ে অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে।

এর আগে মা'মলার অ'পর দুই আ'সামি মাদ্রাসা শিক্ষক ইউসূফ ও আল-আমীনকে চারদিনের রি'মান্ড শেষে শনিবার একই আ'দালতে জবানব'ন্দি নেয়ার পর কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ৫ ডিসেম্বর মধ্যরাতে কুষ্টিয়া শহরের পাঁচ রাস্তার মোড়ে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে কুষ্টিয়া শহরের জুগিয়া পশ্চিমপাড়া ইবনে মাসউদ মাদ্রাসার দুই ছাত্র ও দুই শিক্ষককে শনাক্ত করে পু'লিশ তাদের গ্রে'ফতার করে।

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!