বিআরটিসি বন্ধের দাবিতে আ'ন্দোলনে নামছেন বাসমালিকরা

উপজে'লা পর্যায়ে বিআরটিসি বাস চলাচল বন্ধ এবং মহাসড়কে ঝুঁ'কিপূর্ণ থ্রি-হুইলার চলাচল নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে আ'ন্দোলনে নামা'র ঘোষণা দিয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জে'লার বাসমালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। এ লক্ষ্যে ১১ সদস্যের আ'ন্দোলন বাস্তবায়ন কমিটিও গঠন করেছেন তারা। শুক্রবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুরের ডোম'রাকান্দিতে অবস্থিত ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারের হলরুমে দিনব্যাপী এক সভা শেষে বিকেলে তারা সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সভায় উপস্থিত বাসমালিক ও শ্রমিক নেতারা বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পরে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে উপজে'লা, এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়েও বিআরটিসি বাস চলাচল করছে। এতে পরিবহন মালিকদের এখন ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার দশা। এছাড়া হাই'কোর্ট থেকে চারবার নিষেধাজ্ঞা জারির পরেও মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধ হচ্ছে না। পরিবহন সেক্টরে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হচ্ছে।

তারা অ'ভিযোগ করেন, ছাত্রসংগঠনের ছে'লেরা এখন বিআরটিসি বাসের ব্যবসা করছে। আর মহল বিশেষকে মাসওয়ারি চাঁদা দিয়ে চালানো হচ্ছে আলম সাধু, নসিমন, করিমনসহ অন্যান্য থ্রি-হুইলার যানবাহন। থ্রি-হুইলারের মতোই চলছে বিআরটিসি, এমন মন্তব্য করে সভায় বলা হয়, বিআরটিসি চলাচলের আগে জে'লা প্রশাসকের নিকট লিখিত আবেদন করতে হয়। সেটি বিভাগীয় কমিশনারের অনুমোদন পেলে তবেই বাস চলাচল করতে পারে। কিন্তু এখন আর এসবের কোনো বালাই নেই।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর জে'লা মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি শাহ্ আলম মুকুল। এসময় তাকে প্রধান করে ১১ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি করা হয়। তিনি সাংবাদিকদের জানান, বিআরটিসি চলাচলে শৃঙ্খলা আনা এবং হাই'কোর্টের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মহাসড়কে থ্রি-হুইলারের যাত্রী পরিবহন নিষিদ্ধের দাবিতে তারা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জে'লায় দীর্ঘ আ'ন্দোলন গড়ে তুলবেন। এজন্য মাসব্যাপী সময় নিয়ে তারা প্রথমে প্রতিটি জে'লায় এক ঘণ্টার প্রতিকী' মানববন্ধন করবেন। এরপর জে'লা পর্যায়ে কমপক্ষে পাঁচটি সমাবেশের পর চূড়ান্ত আ'ন্দোলনে নামবেন। এ আ'ন্দোলন যাতে ফলপ্রসূ হয় এজন্য এই অঞ্চলের বাস মালিক ও শ্রমিকদের নিয়ে আ'ন্দোলন সংগ্রামে সমন্বয় সাধন করবেন তারা।

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!