শিক্ষক কেন ছা'ত্রীনিবাস ছাড়ছেন না, ৩ সদস্যের কমিটি ত'দন্ত

বাগেরহাটের শরণখোলা সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছা'ত্রীনিবাসে থাকা শিক্ষক সাব্বির আহম্মেদ মুক্তাকে অ'পসারণের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো ক্লাস বর্জন করেছেন শিক্ষার্থীরা।এদিকে বারবার নোটিশ দেয়ার পরও ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কেন ছা'ত্রীনিবাস ছেড়ে যাচ্ছেন না–এ জন্য তিন সদস্যের ত'দন্ত কমিটি গঠন করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

তবে ৩০ আগস্ট তিনি ছা'ত্রীনিবাস ছেড়ে দেবেন বলে লিখিত জানানোর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২২ আগস্ট) থেকে ক্লাস শুরুর আশা উপজে'লা নির্বাহী কর্মক'র্তার। শিক্ষার্থীদের অ'ভিযোগ, শেখ রাজিয়া নাসের ছা'ত্রীনিবাসে একটি কক্ষে ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাব্বির আহম্মেদ মুক্তা বসবাস করে আসছেন। এতে প্রায়ই বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয় শিক্ষার্থীদের। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে একাধিকবার কলেজ কর্তৃপক্ষ তাকে নোটিশ দিলেও তিনি ছা'ত্রীনিবাস ছেড়ে যাননি। অবশেষে ছা'ত্রীনিবাস থেকে ওই শিক্ষককে অ'পসারণের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে আ'ন্দোলনে নামতে বাধ্য হন।

এ অবস্থায় রোববার কলেজের শিক্ষক পরিষদের এক জরুরি সভায় তিন সদস্যের ত'দন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান শরণখোলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. নুরুল আলম ফকির।তিনি বলেন, ‘বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ওই শিক্ষককে একাধিকবার নোটিশ ও মৌখিকভাবে বলার পরও তিনি ছা'ত্রীনিবাসের মধ্যে বসবাস করছেন। এটি শিক্ষকদের জন্য অসম্মানজনক।’

নিজের বাড়ি নির্মাণকাজ সম্পন্ন না হওয়ায় ছা'ত্রীনিবাস ছেড়ে যেতে বিলম্ব হচ্ছে বলে জানান অ'ভিযু'ক্ত শিক্ষক সাব্বির আহম্মেদ মুক্তা।তিনি বলেন, ‘প্রতিহিং'সাবশত আমা'র বি'রুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমা'র বাড়ির বিল্ডিংয়ের কাজ শেষ হলে এমনিতেই বাসা ছেড়ে দেব।’উপজে'লা নির্বাহী কর্মক'র্তা মো. নুর-ই আলম সিদ্দিকী' বলেন, শিক্ষক মুক্তার আগামী ৩০ আগস্ট ছা'ত্রীনিবাস ছেড়ে দেবেন বলে লিখিত জানিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা সোমবার থেকে ক্লাস শুরু করবেন বলে আশা করছেন তিনি। জে'লার শরণখোলায় ১৯৯৫ সালে স্থাপিত সরকারি ডিগ্রি কলেজে ২ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত।

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!