সেই কলেজছা'ত্রী ইয়াশা এখন ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে

মায়ের উপরে অ'ভিমান করে ঘর ছেড়েছেন-এমন অ'ভিযোগ করা সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজের শিক্ষার্থী ইয়াশা মৃধা সুকন্যাকে ঢাকা মহানগর পু'লিশের (ডিএমপি) তেজগাঁওয়ের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। পু'লিশ জানিয়েছে, যেহেতু এ ঘটনায় মা'মলা হয়েছে, তাকে আ'দালতে নেওয়া হবে।

বুধবার (২৪ আগস্ট) সকালে ডিএমপির মহানগর গোয়েন্দা পু'লিশ (ডিবি) তাকে উ'দ্ধার করে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠানো হয়।পু'লিশের রমনা জোনাল টিমের অ'তিরিক্ত উপ-কমিশনার মিশু বিশ্বা'স এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইয়াশা নিজে থেকেই ‘আত্মগো'পনে’ ছিল বলে পু'লিশকে জানিয়েছে। বাবা-মায়ের বি'রুদ্ধে অ'ভিযোগ তার। যেহেতু এই ঘটনায় তার মা একটি মা'মলা করেছেন, তাই তাকে আ'দালতে পাঠানো হবে। আ'দালত তার জবানব'ন্দি নিবে, আ'দালত যে সিদ্ধান্ত দিবে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এর আগে একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইয়াশা অ'ভিযোগ করে বলেন, আমি আর মেনে নিতে পারছিলাম না। আমি রাতে ঘুমাতেও পারতাম না। সাড়ে তিন লাখ টাকার বিনিময়ে আম্মু আমাকে বিক্রি করে দিচ্ছিল। তিনি বলেন, আমি বাসায় ফিরে যেতে চাই না, কারণ আমি সেখানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগি। কোনসময় আমাকে মে'রে ফেলবে আমি জানি না।

তিনি আরও বলেন, আমি রাতে ঘুমাতে পারতাম না ভ'য়ে। আমাকে বালিশ চাপা দেয়া হত। আমি আমা'র নানু বাসায় গেলে সেখানেও আমাকে মানসিক ভাবে অ'ত্যাচার করা হত। নানু খালি বলত, বিয়েটা করে ফেল। সাড়ে তিনলাখ টাকা দিবে, এটা তো কম না। তুই চাইলে আরও দিবে। আমা'র আম্মু আমাকে সাড়ে তিন লাখ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দিচ্ছিল।

মায়ের নি'র্যাতনের বর্ণনা দিয়ে ইয়াশা বলেন, আমি ক্ষিধা সহ্য করতে পারতাম না। আম্মু সেটা জেনেও আমাকে দুদিন ঘরে ব'ন্দি করে রেখেছিল। খাবারও দেয়নি। বাথরুমের পানি খেয়ে খেয়ে আমি নিজের জীবন বাঁচিয়েছি। ইশতিয়াক নামের ছে'লে বন্ধুর বি'রুদ্ধে মায়ের অ'ভিযোগের বিষয়ে ইয়াশা বলেন, সে আমা'র খুব ভালো বন্ধু, ওর কোন দোষ নেই। তবু তাকে কারাগারে রাখা হয়েছে।

তবে মে'য়ের এই অ'ভিযোগকে অস্বীকার করেন মা নাজমা ইস'লাম লাকী'। তিনি দাবি করেন, ক্লাস সেভেনের পর থেকে কখনোই মে'য়ের গায়ে হাত তুলেননি তিনি। তবে তিনি চাইতেন মে'য়েকে ইন্টারের পরে বিয়ে দিতে। ইয়াশার মা ও বাবার একমাত্র চাওয়া, তাদের মে'য়ে ফিরে আসুক।

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!