ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ল্যাবের ফ্রিজে ইলিশ মাছ!

একটি চিকিৎসা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের ল্যাবের ফ্রিজে রাখা হয়েছে ইলিশ মাছ। যেখানে ওষুধ, ইনজেকশনসহ অ'পারেশনের কাজে ব্যবহৃত জিনিসপত্র থাকার কথা। কিন্তু না, ল্যাবের সেই ফ্রিজে ছিল ইলিশ মাছ। জয়পুরহাটের আনার কলি ল্যাব অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার নামে একটি প্রতিষ্ঠানের ল্যাবের ফ্রিজে ইলিশ মাছ রাখাসহ বিভিন্ন অসঙ্গতি পেয়ে সিলগালা করে পাঁচ হাজার টাকা জ'রিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আ'দালত। মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকে অ'ভিযান পরিচালনা করে সিলগালাসহ এই জ'রিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আ'দালত।

অ'ভিযান পরিচালনা করেন জে'লা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক কুমা'র কুণ্ডু। এ সময় সদর উপজে'লা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মক'র্তা ডা. তুলশী চন্দ্র রায়, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিক্যাল কর্মক'র্তা ডা. জোবায়ের মো. আল ফয়সাল, সিনিয়র মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট শ্যামল কুমা'র চট্টোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন।

অ'ভিযানে আনার কলি ল্যাব অ্যান্ড কনসালটেশন ছাড়াও পদ্মা ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমের অ'পারেশন রুম সিলগালা ও পাঁচ হাজার টাকা জ'রিমানা করা হয়। অন্য দুই প্রতিষ্ঠান শাদমান ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোম ও গ্রিন জেনারেল হসপিটালকে পাঁচ হাজার টাকা করে জ'রিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আ'দালত সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসা সেবা দেওয়া বেসরকারি ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর একটির ল্যাবের ফ্রিজে ইলিশ মাছ ছিল। তাছাড়া ছিল না লাইসেন্স নবায়ন ও চিকিৎসক। পাওয়া গেছে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন কাগজপত্রেও গড়মিল ছিল। প্রতিষ্ঠানে অনেক ডাক্তারের নামের তালিকা ছিল, কিন্তু নিয়োগপত্র দেখাতে পারেনি। এ জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে ১৯৮২ সালের মেডিক্যাল প্র্যাকটিস ও বেসরকারি ক্লিনিক ল্যাবরেটরি অধ্যাদেশ আইনের ১৩ ধারায় জ'রিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক কুমা'র কুণ্ডু বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের ল্যাবের ফ্রিজে ইলিশ মাছ পাওয়া যায় এবং প্রতিষ্ঠানটির অনেক অনিয়ম ছিল। ওই প্রতিষ্ঠানকে পুরো সিলগালাসহ জ'রিমানা করা হয়েছে। অন্য তিনটি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তাদের আর্থিক জ'রিমানা করা হয়েছে।

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!