যৌ'ন স'ম্পর্কে অ'তিষ্ঠ লাদেনের হাতে ডায়নার করুণ পরিণতি

ঢাকা: ডায়না তৃতীয় লি'ঙ্গের মানুষ ছিলেন। তার ছয় ভাই-বোন এবং সবাই যু'ক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। ডায়নার নিজেরও যু'ক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ছিল। তবে গত দুই বছর তিনি যাত্রাবাড়ীর গো'লাপবাগে একটি ভাড়া বাসায় থাকছিলেন।

২৮ আগস্ট রাতে ওই বাসা থেকে ডায়নার অর্ধগলিত ম'রদেহ উ'দ্ধার করে পু'লিশ। পু'লিশ বলছে, ১১ দিন ধরে লা'শটি ঘরে পড়ে ছিল, কিন্তু আশপাশের কেউ টের পাননি।

বুধবার (৩১ আগস্ট) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনার জিয়াউল আহসান তালুকদার বলেন, যৌ'নকাজে অ'তিষ্ঠ হয়ে এই হ'ত্যাকা'ণ্ড ঘটিয়েছেন শোয়েব আক্তার লাদেন। তাকে গ্রে'প্তার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ২৭ আগস্ট বিকেলে রাজধানীর ওয়ারীর গো'লাপবাগের একতলা বাড়ির ভিতরে কক্ষ থেকে ডায়নার ম'রদেহ উ'দ্ধার করা হয়। হ'ত্যাকা'ণ্ডে জড়িত থাকার অ'ভিযোগে সোমবার শেরপুরের নালিতাবাড়ি থেকে শোয়েব আক্তার লাদেনকে গ্রে'প্তার করা হয়। মঙ্গলবার আ'দালতে ১৬৪ ধারায় জবানব'ন্দি দেন লাদেন।

সংবাদ সম্মেলনে হ'ত্যাকা'ণ্ডের কারণ তুলে ধরে জিয়াউল আহসান বলেন, লাদেন ডায়নার বাসাতে কাজ করতেন। অর্থের বিনিময়ে তাদের মধ্যে শারীরিক স'ম্পর্কও হতো। হ'ত্যাকা'ণ্ডের কিছু দিন আগে লাদেন বিয়ে করেন। বিয়ের পরও তাদের মধ্যে যৌ'নতা চলতো। একদিকে লাদেনের বিয়ে ও নতুন জীবনকে ডায়না মেনে নিতে পারছিলেন না। অন্যদিকে লাদেন চাচ্ছিলেন স'ম্পর্ক শেষ করে মুক্ত জীবনে ফিরতে। কিন্তু আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী ডায়না লাদেনকে ছাড়তেন না। তিনি লাদেনের সঙ্গে শারীরিক স'ম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

পু'লিশ কর্মক'র্তা জিয়াউল আহসান আরও জানান, লাদেন জানিয়েছেন- ১৬ আগস্ট শারীরিক স'ম্পর্কের একপর্যায়ে বাসার টেবিলে থাকা হাঁতুড়ি দিয়ে ডায়নার মা'থায় আ'ঘাত করেন তিনি। মা'থায় ও হাঁটুতে উপর্যুপরি আ'ঘাত করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে বের হয়ে বন্ধ মূল ফট'ক টপকে পালিয়ে যান লাদেন।

এরপর দেশে থাকা ডায়নার ফুপাতো ভাই তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে পু'লিশে খবর দিলে, পু'লিশ এসে ম'রদেহ উ'দ্ধার করে।

জিয়াউল আহসান বলেন, ডায়না আশপাশের কারো সঙ্গে মিশতেন না, আর একতলা ওই বাড়ির দেওয়াল অনেক উঁচু ছিল। তাই এতদিন ম'রদেহ পড়ে থাকার পরও আশপাশের কেউ টের পায়নি।

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!