স্বামীর ঘর ছেড়ে প্রে'মিকের হাত ধরে উধাও দুই সন্তানের জননী

স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে প্রে'মের স'ম্পর্কে জড়িয়ে প্রে'মিকের সাথে পালিয়েছে দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূ। সঙ্গে নিয়ে গেলেন দুই সন্তানকেও। পালানোর সময় সঙ্গে করে নগদ ৭৫ হাজার টাকা ও ৪ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছেন বলে অ'ভিযোগ করেন স্বামী জুবায়ের হোসেন। সোমবার (২৯ আগস্ট) দিনগত রাতে ভোলার লালমোহন উপজে'লার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

গৃহবধূ রিমা বেগম লালমোহন উপজে'লার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডস্থ করিমগঞ্জ গ্রামের মৃ'ত জামাল উদ্দিনের মে'য়ে। ভুক্তভোগী স্বামী জুবায়ের হোসেন লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের জহিরুল ইস'লামের ছে'লে। এ ঘটনায় লালমোহন থা'নায় তিনি একটি অ'ভিযোগ দায়ের করেছেন।

অ'ভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ৮ বছর আগে জুবায়ের হোসেন সঙ্গে রিমা বেগমের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে ৫ বছরের একটি কন্য সন্তান ও দুই বছর বয়সী একটি ছে'লে সন্তান রয়েছে। কিছুদিন আগে থেকে গৃহবধু রিমা বেগমের দূর স'ম্পর্কের মামা পরিচয়ে তজুমুদ্দীন উপজে'লার মতিউর রহমান পাটোয়ারী বাড়ির ইদ্রিস দরবেশের ছে'লে মোঃ নুর হাফেজ (৩২) তাদের বাড়িতে আসা যাওয়া করতেন। এক পর্যায়ে রিমা বেগমের সঙ্গে তার প্রে'মের স'ম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ নিয়ে স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন রিমাকে বারবার নিষেধ করলেও তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। সোমবার রাতে স্বামী বাজারে তার নিজ দোকানে থাকা অবস্থা দুই সন্তানসহ ৪ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে প্রে'মিক নুর নাফেজের হাত ধরে পালিয়ে যান রিমা বেগম।

কা'ন্নাজ'ড়িত কণ্ঠে স্বামী জুবায়ের হোসেন বলেন, পারিবারিকভাবে বিয়ে হলেও আমি তাকে কম ভালোবাসা দেইনি। ব্যবসায়ীক জীবন থেকে অনেক শ্রম দিয়ে অর্থ উপার্জন করে স্ত্রী' ও পরিবারকে দিয়েছি সুখে থাকবো বলে। সেই সুখের ঘরে আ'গুন লাগিয়ে পালিয়েছে রিমা বেগম। সে আমা'র দুই সন্তানের কথাও চিন্তা করেনি। যাওয়ার সময় ৪ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। আমি তার উপযু'ক্ত বিচার ও আমা'র দুই সন্তান (ছে'লে/মে'য়ে) এবং অর্থ-সম্পদ ফিরে পেতে চাই।

গৃহবধু রিমা'র বেগমের মায়ের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রহিম মিয়া বলেন, পর'কী'য়ার টানে গৃহবধূর পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা খুবই দুঃখজনক। একটা পরিবারের তিলে তিলে গড়া সম্মান ও স্বপ্ন ধুলায় মিশে যায়, যা কাম্য নয়।

লালমোহন থা'নার উপ-পরিদর্শক জাহিদ হাসান বলেন, এ বিষয়ে একটি অ'ভিযোগ পেয়েছি। আম'রা প্রাথমিক ভাবে ত'দন্তে আসছি। ত'দন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!